তিনি আলজাজিরাকে জানান, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে হ্যাকাররা তার টাকা চুরি করে নিয়েছে। তারা এটি আমাকে ফেরত দিতে পারবে না। আমাকে এ টাকা জমাতে অনেক সময় পরিশ্রম করতে হয়েছে। আর এ টাকা সেকেন্ডের মধ্যে হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। এটি কোনোভাবেই যথার্থ নয়।
বালির আরেক চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনকারী দিয়াতমিকা নামের এক ব্যক্তিও একই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। তিনি জানান, গেল বছরের আগস্টে নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলতে গিয়ে তিনিও ব্যর্থ হয়েছেন। গত মে মাসে হ্যাকাররা তার ৭২ লাখ রুপিয়া হাতিয়ে নিয়েছে।
দিয়াতমিকা জানান, বিআরআই তার এ বিষয়ে দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছে। তিনি বলেন, আমি তিন বছর আগে যখন অ্যাকাউন্ট খুলি তখন তারা মোবাইলে তাদের অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলে। তবে পাসওয়ার্ড ভুলে পাওয়ায় আমি এটি কখনো ব্যবহার করতে পারিনি।
তিনি বলেন, আমরা ব্যাংকে টাকা রাখি নিরাপত্তার জন্য। তবে হ্যাকাররা যদি এতো সজজে আমাদের সব তথ্য পেয়ে যায় তাহলে ব্যাংকের নিরাপত্তায় ব্যপক ঘাটতি রয়েছে। তাদের মতো আরও অসংখ্য গ্রাহকের টাকা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।
ইন্দোনেশিয়া সাইবার অপরাধীদের জন্য একটি আকর্ষণীয় লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতি এবং চতুর্থ-সর্বোচ্চ সংখ্যক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর দেশ এখন ইন্দোনেশিয়া।
ইন্দোনেশিয়ার ন্যাশনাল সাইবার এবং এনক্রিপশন এজেন্সির তথ্যমতে, গত বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৬ অক্টোবরের পর্যন্ত সময়ে ৩৬১ মিলিয়ন অনলাইন ট্রাফিক অসঙ্গতি দেখা দিয়েছে।
নেদারল্যান্ডসভিত্তিক সাইবার সিকিউরিটি ফার্ম সার্ফশার্কের তথ্য অনুসারে, ইন্দোনেশিয়ায় ইমেল অ্যাকাউন্টে হামলা ২০২৩ সালের তৃতীয় ত্রৈমাসিকে ৮৫ শতাংশ বেড়েছে।
সুত্রঃ কালবেলা অনলাইন। ৫/৪/২৪
Comments
Post a Comment